বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৭:০১ অপরাহ্ন

নোটিশ :
✆ন্যাশনাল কল সেন্টার:৩৩৩| স্বাস্থ্য বাতায়ন:১৬২৬৩|আইইডিসিআর:১০৬৬৫|বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন:০৯৬১১৬৭৭৭৭৭
সংবাদ শিরোনাম
৭নং চরণদ্বীপ ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী হতে ইচ্ছুক জাবেদুল ইসলাম বোয়ালখালী উপজেলার আমুচিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: আলোচনার শীর্ষে চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ইকবাল রাষ্ট্রপতিকে কালুরঘাট নতুন সেতুর কাজ ত্বরান্বিত করতে অনুরোধ করলেন অধীর বড়ুয়া চান্দগাঁও থানায় চেক প্রতারণা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার আমুচিয়া ইউনিয়নবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন ২৫ নং রামপুর ওয়ার্ডবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দিদারুল আলম নেভী ডায়মন্ড সিমেন্ট লি: এর চেয়ারম্যানের বড় বোন জোলেখা বেগমের মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের শোক বোয়ালখালীতে সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা হারুন অর রশিদের ইন্তেকাল: বিভিন্ন মহলের শোক জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে সম্পন্ন হলো সিইউসিবিএ গ্রান্ড নাইট ২০২৬ বোয়ালখালী উপজেলার আমুচিয়াবাসী ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেনকে চেয়ারম্যান পদে দেখতে চায়

গ্রাহকরা টিকার সনদ পত্রের বাধ্যবাধকতা মানতে চান না : সৈয়দ আবদুল হান্নান বাবু

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

স্টাফ রিপোর্টার :
বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদুল হান্নান বাবু তৃতীয় ঢেউয়ে করোনা সনাক্তের উর্ধ্বগতির হার বৃদ্ধি জনিত কারণে ১১দফা সরকারি নির্দেশনা হোটেল রেস্তোরাঁয় টিকার সনদপত্র ছাড়া খাবার না নেয়ার বাধ্যবাধকতা গ্রাহকরা মানতে চান না বলে দাবী করেছেন।

সৈয়দ আবদুল হান্নান বাবু

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, গ্রাহকদের যুক্তি হলো- দেশের মোট ১৮কোটি মানুষের মধ্যে এই পর্যন্ত এক তৃতীয়াংশ বা ৬কোটি মানুষ টিকা নিতে পেরেছেন। এর মধ্যে অর্ধেক এর বেশি টিকা গ্রহীতা সনদপত্র পাননি বা প্রক্রিয়াধীন আছে। প্রতিদিনই কর্মদিবসে অফিস আদালত, ব্যাংক-বীমাসহ অসংখ্য সরকারী-বেসরকারী সংস্থা, বাজার, শপিংমলে কয়েক লক্ষ মানুষ জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে। এদের নৈমক্তিক খাবার-দাবার হোটেল-রেস্তোরঁায় করতে হয়। তাহলে এখনই যারা টিকার সনদপত্র পাননি বা টিকা নেনটি তাদের বিশাল জনগোষ্ঠীর উপোস থাকা ছাড়া উপায় নেই। যা অমানবিক ও মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী এবং অযৌক্তিক। উক্ত বিবৃতিতে আরো বলা হয়, হোটেল রেস্তোরাঁয় অবশ্যই স্বাস্থ্য-বিধি ও সরকারী নির্দেশনা মেনে চলা উচিত। কোথাও স্বাস্থ্য লঙ্ঘিত হলে প্রশাসন পদক্ষেপ নিতে পারেন এবং যুক্তিসম্মত শাস্তি বা জরিমানা ধার্য করা যেতে পারে। জরিমানার অংক যদি ৫ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে থাকে তা যৌক্তিক। কিন্তু জরিমানার অংক যদি এক লাখ টাকা ছাড়িয়ে যায় একজন মালিকের পক্ষে তা বহন করা অসাধ্য। আমরা চাই প্রশাসন আমাদের সতর্ক ও সজাগ করতে কার্যক্রম অব্যাহত রাখুক।

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

Archive

© All rights reserved © 2021 Dainiksomor.net
Design & Developed BY N Host BD