শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন

নোটিশ :
✆ন্যাশনাল কল সেন্টার:৩৩৩| স্বাস্থ্য বাতায়ন:১৬২৬৩|আইইডিসিআর:১০৬৬৫|বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন:০৯৬১১৬৭৭৭৭৭
সংবাদ শিরোনাম
গ্যাস সংকটে চট্টগ্রামে শিল্প উৎপাদনে ধস, সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি বোয়ালখালীতে এসএসসি ফলাফলে শীর্ষস্থানে সৈয়দপুর নুর কাশেম একাডেমি বোয়ালখালীতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে ইঞ্জিনিয়ার ওমর বিন নুরুল আবছার এর কবর জিয়ারত প্রবাসীদের অবদানে দেশ অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ: মক্কায় ডায়মন্ড সিমেন্টের মতবিনিময় সভায় -এনামুল হক এমপি ধোরলা মুক্তি সংঘে চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইকবালের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রাজনীতি আমার কাছে প্রতিহিংসার নয়, মানুষের সেবার একটি দায়িত্ব : ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিয়ে পুনরায় কটুক্তি করা হলে রাজপথে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন চলবে : ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন আপনাদের সহযোগিতা পেলে অতি বৃষ্টিতে আমুচিয়াবাসীর কষ্ট লাগবে দ্রুত ব্যবস্থা নেব :চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন বোয়ালখালীর আমুচিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেনের নিজ উদ্যোগে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দুর্যোগকালীন সময়ে শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ালেন ছাত্রদলের সিয়াম

গ্রাহকরা টিকার সনদ পত্রের বাধ্যবাধকতা মানতে চান না : সৈয়দ আবদুল হান্নান বাবু

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

স্টাফ রিপোর্টার :
বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদুল হান্নান বাবু তৃতীয় ঢেউয়ে করোনা সনাক্তের উর্ধ্বগতির হার বৃদ্ধি জনিত কারণে ১১দফা সরকারি নির্দেশনা হোটেল রেস্তোরাঁয় টিকার সনদপত্র ছাড়া খাবার না নেয়ার বাধ্যবাধকতা গ্রাহকরা মানতে চান না বলে দাবী করেছেন।

সৈয়দ আবদুল হান্নান বাবু

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, গ্রাহকদের যুক্তি হলো- দেশের মোট ১৮কোটি মানুষের মধ্যে এই পর্যন্ত এক তৃতীয়াংশ বা ৬কোটি মানুষ টিকা নিতে পেরেছেন। এর মধ্যে অর্ধেক এর বেশি টিকা গ্রহীতা সনদপত্র পাননি বা প্রক্রিয়াধীন আছে। প্রতিদিনই কর্মদিবসে অফিস আদালত, ব্যাংক-বীমাসহ অসংখ্য সরকারী-বেসরকারী সংস্থা, বাজার, শপিংমলে কয়েক লক্ষ মানুষ জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে। এদের নৈমক্তিক খাবার-দাবার হোটেল-রেস্তোরঁায় করতে হয়। তাহলে এখনই যারা টিকার সনদপত্র পাননি বা টিকা নেনটি তাদের বিশাল জনগোষ্ঠীর উপোস থাকা ছাড়া উপায় নেই। যা অমানবিক ও মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী এবং অযৌক্তিক। উক্ত বিবৃতিতে আরো বলা হয়, হোটেল রেস্তোরাঁয় অবশ্যই স্বাস্থ্য-বিধি ও সরকারী নির্দেশনা মেনে চলা উচিত। কোথাও স্বাস্থ্য লঙ্ঘিত হলে প্রশাসন পদক্ষেপ নিতে পারেন এবং যুক্তিসম্মত শাস্তি বা জরিমানা ধার্য করা যেতে পারে। জরিমানার অংক যদি ৫ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে থাকে তা যৌক্তিক। কিন্তু জরিমানার অংক যদি এক লাখ টাকা ছাড়িয়ে যায় একজন মালিকের পক্ষে তা বহন করা অসাধ্য। আমরা চাই প্রশাসন আমাদের সতর্ক ও সজাগ করতে কার্যক্রম অব্যাহত রাখুক।

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

Archive

© All rights reserved © 2021 Dainiksomor.net
Design & Developed BY N Host BD