বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন

নোটিশ :
✆ন্যাশনাল কল সেন্টার:৩৩৩| স্বাস্থ্য বাতায়ন:১৬২৬৩|আইইডিসিআর:১০৬৬৫|বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন:০৯৬১১৬৭৭৭৭৭
সংবাদ শিরোনাম
ব্যবসায়ীদের আস্থায় এগিয়ে যেতে চায় ডায়মন্ড সিমেন্ট- চেয়ারম্যান আজিম আলী ২৫ নং রামপুর ওয়ার্ডে মরহুম ফজলুল হক সর্দারের বাড়িতে ফাতেহায়ে ইয়াজদাহম পালিত চলতি বছরে ইউপি নির্বাচন হচ্ছে না : প্রাধান্য দিতে হচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থা ও রমজানকে ২৫ নং রামপুর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে সমসামিক বিষয় নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত স্থানীয় নির্বাচন দলীয় নয়, সম্পূর্ণ ব্যক্তিভিত্তিক : ডা,জাহেদ উর রহমান নতুন পাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) উপলক্ষে নূরানি মিলাদ মাহফিল ২৫ নং রামপুর ওয়ার্ড বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা অসুস্থ হোসেন আহম্মদ ভোলাকে দেখতে গেলেন বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বিএনপি নেতাকে দেখতে গেলেন ২৫ নং রামপুর ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দরা বোয়ালখালীর আল-ফালাহ মসজিদ মাঠে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত ঝর্ণাপাড়া নবী চৌধুরীর রোড মহল্লা উন্নয়ন কমিটির গৌরবময় এক বছর :বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে আগামীর পথ চলা

জীবন রক্ষাকারী ওষুধ সংকটের আশঙ্কা, এলসি করতে নানা জটিলতা

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

এস এম ইরফান নাবিল :
দেশের ওষুধ শিল্পের কাঁচামালের ৭০ শতাংশই আমদানি করতে হয়। বর্তমানে আমদানিকারকদের কাঁচামাল আনতে এলসি বা ঋণপত্র খুলতে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে জীবনরক্ষাকারী ওষুধের উৎপাদন ও সরবরাহে সংকট দেখা দেওয়ার উপক্রম হয়েছে। কাঁচামাল আমদানির ঋণপত্র খুলছে না ব্যাংকগুলো। আমদানিও করা যাচ্ছে না অনেক জরুরি ওষুধ। সমস্যার দ্রুত সমাধান চায় ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো। তারা বলছে, যে পরিমাণ কাঁচামালের মজুত আছে তাতে খুব বেশি হলে দুই থেকে তিন মাস চলতে পারে। তবে অনেক কোম্পানি ইতিমধ্যেই সংকটে পড়েছে। যার ফলে ব্যাহত হচ্ছে জীবনরক্ষাকারী ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহ। তবে সরকার জীবনরক্ষাকারী ওষুধ সরবরাহে যাতে সংকট দেখা না দেয় সেদিকে নজর দিতে নির্দেশ দিয়েছে।
এদিকে দেশে যেসব ওষুধ তৈরি হয় না সে সব ওষুধ আমদানি করতে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। এলসি করতে নানা জটিলতা। এ কারণে সময়মতো রোগীদের জীবনরক্ষাকারী ওষুধ পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ক্যানসার, কিডনি, নিউমোনিয়া, ইনসুলিনসহ বিভিন্ন ধরনের ওষুধ আমদানির প্রয়োজন হয়। আমদানিকৃত ওষুধের মধ্যে ইনসুলিনসহ কিছু সংখ্যক ওষুধ বাংলাদেশে তৈরি হয়। কিন্তু বিদেশি ওষুধে রোগী দ্রুত সুস্থ হয়। কিছু দিনের মধ্যে এসব জীবনরক্ষাকারী ওষুধ আমদানি করতে না পারলে অনেক জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের জীবন মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়বে বলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। অপরদিকে দেশে নিষিদ্ধ যেসব ওষুধ তা অনেক ডাক্তার প্রেসক্রিপশন করে থাকেন। এসব নিষিদ্ধ ওষুধের ব্যাপক চাহিদা থাকায় চোরাই পথে বা ল্যাগেজের মাধ্যমে দেশে প্রবেশ করছে। এই ওষুধ রাখার কারণে ওষুধ বিক্রেতারা জেল-জরিমানার শিকারও হন। তাদের বক্তব্য হলো, ব্যাপক চাহিদা থাকায় এসব ওষুধ তারা রোগীদের জীবনরক্ষার্থে রাখেন। এ প্রসঙ্গে একাধিক বিশেষজ্ঞ বলেন, বাজারজাতকৃত ওষুধের চেয়ে এই নিষিদ্ধ অনেক ওষুধ আছে, যা রোগী ব্যবহার করে দ্রুত আরোগ্য লাভ করেন। অপরদিকে বাজারজাতকৃত কোনো কোনো ওষুধের গুণমান নিয়েও প্রশ্ন আছে। এসব কারণে রোগীদের জীবন রক্ষার্থে ব্যবস্থাপত্রে তারা ঐ সব ওষুধ লিখে থাকেন। অনেক রোগী নিজ উদ্যোগে বিদেশ থেকেও এসব এনে সেবন করেন।

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

Archive

© All rights reserved © 2021 Dainiksomor.net
Design & Developed BY N Host BD