শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন

নোটিশ :
✆ন্যাশনাল কল সেন্টার:৩৩৩| স্বাস্থ্য বাতায়ন:১৬২৬৩|আইইডিসিআর:১০৬৬৫|বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন:০৯৬১১৬৭৭৭৭৭
সংবাদ শিরোনাম
গ্যাস সংকটে চট্টগ্রামে শিল্প উৎপাদনে ধস, সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি বোয়ালখালীতে এসএসসি ফলাফলে শীর্ষস্থানে সৈয়দপুর নুর কাশেম একাডেমি বোয়ালখালীতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে ইঞ্জিনিয়ার ওমর বিন নুরুল আবছার এর কবর জিয়ারত প্রবাসীদের অবদানে দেশ অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ: মক্কায় ডায়মন্ড সিমেন্টের মতবিনিময় সভায় -এনামুল হক এমপি ধোরলা মুক্তি সংঘে চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইকবালের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রাজনীতি আমার কাছে প্রতিহিংসার নয়, মানুষের সেবার একটি দায়িত্ব : ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিয়ে পুনরায় কটুক্তি করা হলে রাজপথে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন চলবে : ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন আপনাদের সহযোগিতা পেলে অতি বৃষ্টিতে আমুচিয়াবাসীর কষ্ট লাগবে দ্রুত ব্যবস্থা নেব :চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন বোয়ালখালীর আমুচিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেনের নিজ উদ্যোগে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দুর্যোগকালীন সময়ে শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ালেন ছাত্রদলের সিয়াম

রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে কমিটি:আবেদনের শেষ সময় ৩১ ডিসেম্বর

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

এস এম ইরফান নাবিল :

বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক কারণে হওয়া হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের লক্ষ্যে দু’টি কমিটি গঠন করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। এর মধ্যে একটি জেলা পর্যায়ের কমিটি এবং অন্যটি মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটি। গতকাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করে। সেখানে কমিটি দু’টির কাজের ধরন ও কাজের পরিধিও নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের জন্য আগামী ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে জেলা পর্যায়ের কমিটির সভাপতি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে হবে। জেলা কমিটির কাছ থেকে সুপারিশপ্রাপ্তির পর সেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। প্রত্যাহারযোগ্য মামলা চিহ্নিত করে তালিকা প্রস্তুত করা ও মামলা প্রত্যাহারের কার্যক্রম গ্রহণ করবে মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটি।
বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও অন্যান্য নানা কারণে রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও নিরীহ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা হয়েছে। সেগুলো প্রত্যাহারে সুপারিশের লক্ষ্যে সরকার এই দু’টি কমিটি গঠন করেছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। জেলা পর্যায়ের কমিটির সভাপতি হিসেবে থাকবেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সদস্যসচিব অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং সদস্য পুলিশ সুপার (মহানগর এলাকার জন্য পুলিশের একজন ডেপুটি কমিশনার) ও পাবলিক প্রসিকিউটর (মহানগর এলাকার মামলাগুলোর জন্য মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর)। জেলা পর্যায়ের কমিটির কার্যপরিধি ও কর্মপদ্ধতি সম্পর্কেও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। তা হলো রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের জন্য আগামী ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে। আবেদনের সঙ্গে এজাহার ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অভিযোগের সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে। আবেদনপ্রাপ্তির ৭ কর্মদিবসের মধ্যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দরখাস্তটি জেলার পাবলিক প্রসিকিউটরের (ক্ষেত্রবিশেষে মেট্রোপলিটন পাবলিক প্রসিকিউটর) কাছে মতামতের জন্য পাঠাবেন। আবেদনপ্রাপ্তির ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে পাবলিক প্রসিকিউটর (ক্ষেত্রবিশেষে মেট্রোপলিটন পাবলিক প্রসিকিউটর) তার মতামত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাবেন। পাবলিক প্রসিকিউটরের মতামত সংগ্রহ করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবেদনটি ৭ কার্যদিবসের মধ্যে জেলা কমিটির সভায় উপস্থাপন করবেন।
জেলা কমিটির কাছে যদি মনে হয় মামলাটি রাজনৈতিক বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে হয়রানির জন্য করা হয়েছে, তাহলে মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য কমিটি সরকারের কাছে সুপারিশ করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সেই সুপারিশ, মামলার এজাহার, অভিযোগপত্রসহ আবেদন পাওয়ার ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে নির্দিষ্ট ছক অনুযায়ী তথ্যাদিসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাবেন। মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটির কার্যপরিধি ও কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জেলা কমিটির কাছ থেকে সুপারিশপ্রাপ্তির পর মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটি সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে। প্রত্যাহারযোগ্য মামলা চিহ্নিত করে তালিকা প্রস্তুত করবে এবং মামলা প্রত্যাহারের কার্যক্রম গ্রহণ করবে। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর আওতাধীন মামলাগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলো দ্য ক্রিমিনাল ’ল অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট, ১৯৫৪-এর ১০(৪) ধারার বিধানমতে কমিশনের লিখিত আদেশ ছাড়া প্রত্যাহার করা যায় না। তাই এ ধরনের মামলা চিহ্নিত করে তালিকা তৈরি করতে হবে। এ ধরনের মামলার বিষয়ে করণীয় পরে নির্ধারণ করা হবে। মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটির সভাপতি হিসেবে থাকবেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং সদস্যসচিব হবেন জননিরাপত্তা বিভাগের আইন-১ শাখার উপ-সচিব/জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব/সহকারী সচিব। আর সদস্য হিসেবে থাকবেন জননিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব, অতিরিক্ত সচিব (আইন ও শৃঙ্খলা) ও যুগ্ম সচিব (আইন) এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি (যুগ্ম সচিব পর্যায়ের নিচে নয়)।

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

Archive

© All rights reserved © 2021 Dainiksomor.net
Design & Developed BY N Host BD