শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন
মাসুম বিল্লাহ : বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যেই সারা দেশে ৫ম ধাপে নির্বাচনে অনুষ্ঠানের ঘোষনা করেছে নির্বাচন কমিশন। তার প্রভাব পড়েছে ইউনিয়ন পর্যায়ে। চায়ের দোকান থেকে শুরু সবখানে এই নির্বাচন নিয়ে আলাপ আলোচনা চলছে।
তিতাস উপজেলার ৮ নং জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের মাটি ও মানুষের নেতা মো: দেলোয়ার হোসেন চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী।
দীর্ঘদিনের রাজপথের লড়াকু সৈনিক মো: দেলোয়ার হোসেন । এ উপলক্ষে তিনি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে ও দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, দেলোয়ার হোসেন বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। দলের দুঃসময়ে যখন অনেকেই রাজনীতি থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন, তখন তিনি রাজপথে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। হামলা-মামলা ও জেল-জুলুম উপেক্ষা করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে তিনি ছিলেন সবসময় অগ্রভাগে। এ কারণেই তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে তিনি একজন ত্যাগী, পরীক্ষিত ও নিবেদিতপ্রাণ নেতা হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, দেলোয়ার হোসেন সবসময় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকেছেন। করোনাকালীন সংকট থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ব্যক্তিগত বিপদ-আপদে ৮নং জিয়ার ইউনিয়নের মানুষ তার কাছে সহযোগিতা পেয়েছে বলেও এলাকাবাসী জানান। তার স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, দীর্ঘদিনের সমাজসেবা এবং তৃণমূল পর্যায়ের ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে এলাকার সাধারণ মানুষ তাকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে হিসেবে দেখতে চায় বলে দাবি উঠেছে।
মনোনয়ন প্রসঙ্গে মো: দেলোয়ার হোসেন বলেন,
“আমি কোনো পদ-পদবীর লোভে রাজনীতি করি না। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করতে রাজপথে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকবো। জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের মানুষই আমার শক্তি ও আমার পরিবার। তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং এই ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, দল তার দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও অবদানের মূল্যায়ন করবে বলে তিনি আশাবাদী। পাশাপাশি জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ, তৃণমূল নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কাছে দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করেছেন এবং দলীয় হাইকমান্ডের সুদৃষ্টি প্রত্যাশা করেছেন।
দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমি জিয়ার কান্দি ইউনিয়নে মুসলিম হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বসবাস, যেন একটি মিলন মেলা। এখানের বাসিন্দারা খুবই আন্তরিক ও শান্তি প্রিয়। বিগত চেয়ারম্যানরা শান্তিপ্রিয় সম্প্রদায়ের মাঝে অশান্তির বীজ বপন করে গেছেন এবং অনিয়ম ও দুর্নীতির নজির রেখে গেছেন। অনিয়ম করা হলেও এলাকাবাসীর কিছু করার ছিল না। আমাকে যদি দল থেকে মনোনয়ন দেন আমি যদি নির্বাচিত হই তাহলে জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন হবে একটি বৈষম্যহীন ও অসাম্প্রদায়িক একটি ইউনিয়ন।
এখানে তারা জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন বাসির উদ্দেশ্যে তার জীবনী উল্লেখ করা হলো।
আত্নজীবনীঃ ২০ বছর বিএনপির রাজনীতি করি আমি এডভোকেট মোঃ দেলোয়ার হোসেন। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জিয়ারকান্দির সন্তান হিসেবে নিজের আত্মজীবনী তুলে ধরলাম।শিক্ষা জীবন : SSC বিজ্ঞান, HSC ব্যবসায় শিক্ষা, স্নাতক ডিগ্রী BBS জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, M.A in English, First Class, বাংলাদেশ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়, LL.B জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ডিপ্লোমা,ভূমি জরিপ। রাজনৈতিক জীবন : গৌরীপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। তিতাস উপজেলা ছাত্র দলের সহ সভাপতি, তিতাস উপজেলা যুবদলের সদস্য, সাবেক জাসাস এর সদস্য সচিব, বর্তমান জাসাস এর আহবায়ক, কর্মজীবন: Achievement কোচিং সেন্টারের পরিচালক, জিয়ারকান্দি হাফিজ ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা লেকচারার, গৌরীপুর Oxford স্কুল অ্যান্ড কলেজ এর লেকচারার, লালপুর নজরুল ইসলাম স্কুলের শিক্ষক, সার্ভেয়ার হিসেবে কাজ করি। ইত্যাদি ইত্যাদি।
আপনার মন্তব্য লিখুন