বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ন
আদালত প্রতিবেদক:
অবশেষে দায়ের করা ৪টি চেক জালিয়াতির মামলায় এই সাজা হলো।
গত ২৯শে আগস্ট/২০২৪ইং, আদালতে আত্মসমর্পণ
করে জামিন আবেদন করলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক রয়েছেন।
জানা যায়, তার বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে ৪টি চেক প্রতারণার মামলা হয়। যার একটি আপীল মামলা নং-২৩৮/২০১৫। এই মামলাটিতে চট্টগ্রাম ৫ম যুগ্ম মহানগর জজ আদালতের মাননীয় বিচারক জনাব মাে: শহীদুল ইসলাম উক্ত আদেশ দেন। আদেশ নং-৬১, ২৭/০৮/২০২৪ইং। আদেশে বলা হয়- মামলার দন্ডিত আসামী বিশ্বজিৎ বণিক, পিতা: শচীন্দ্র বনিক এর পক্ষে বিজ্ঞ কৌশলী নথি উপস্থাপনসহ উচ্চ আদালত পিটিশন দায়েরের শর্তে আত্মসমপর্ণ পূর্বক জামিনের আবেদন ও নথিপত্রসহ জামিনের আবেদন শুনানীর জন্য নেওয়া হয়। রাষ্ট্রপক্ষের বিজ্ঞ কৌশলী জামিন আবেদনের বিরােধীতা করেন। তা পর্যবেক্ষন ও পর্যালােচনা করে দেখা যায় যে, দণ্ডিত আসামী বিশ্বজিৎ বনিক ১৪ আগস্ট ২০২৩ইং তারিখ আদালত কর্তৃক একবছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও বিশ লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত করা হয়। এছাড়া ১৪ আগস্ট চেকের বিপরীতে ৫০% টাকা চালানমূল্যে জমা প্রদান পূর্বক আপীলের র্শতে জামিন লাভ করে এবং চট্টগ্রাম মহানগর জায়রা জজ আদালত ফৌজদারী আপীল ১০৬৬/২০২৩ দায়ের করা হয়।
পরবর্তীতে আপীল দায়েরের পর চট্টগ্রাম অতিরিক্ত মহানগর তৃতীয় দায়রা জজ আদালত আপীল না মঞ্জুর করেন এবং মূলনথি অত্র আদালতে প্রেরণ করেন। নথি প্রাপ্তির পর আসামী বিশ্বজিৎ বনিক, পিতা: শচীন্দ্র বনিককে উপস্থিত থাকতে আদেশ দেওয়া হয়। আসামী আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিনের আবেদন করলে আসামী দণ্ডপ্রাপ্ত বিধায় আদালত জামিন নামঞ্জুর করে সাজা বহাল রাখেন। আদেশে বলা হয় সাজাপ্রাপ্ত আসামির জামিন দেওয়ার এখতিয়ার অত্র আদালতের নাই। যেহেতু আসামী দণ্ডপ্রাপ্ত সেহেতু আসামীকে জামিন নামঞ্জুর করার জন্য আদেশে বলা হয়। তাই বিজ্ঞ আদালত জামিনের যােগ্য মনে না করে আদালত আসামীকে সাজা পরােয়ানা মূলে কারাগারে প্রেরণ করেন। আসামী বিশ্বজিৎ বনিক, পিতা: শচীদ্র বনিক দায়রা মামলা নং-২৩৮২/২০১৫, ১৮৬৭ ও ২০২৫ মূলে চট্টগ্রাম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত (৫ম) একবছর সাজা দেন। অপর মামলা নং ২৯২৪/১৫ মূলে তিন মাস ও ২৪৭৯/১৫ মামলা মূলে ছয় মাস করে ৪টি মামলায় সর্বমোট ২বছর ৯মাস সাজা প্রাপ্ত হয়ে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক রয়েছে।
বাদী সমকাল পত্রিকার ডি.জি.এম সুজিত কুমার দাশ।
বাদীর পক্ষে
মামলা পরিচালনা করেন সিনিয়র আইনজীবী এডভােকেট এম. আবু সাঈদ। জানা যায় ২০১৫ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এই মামলা পরিচালনা করতে গিয়ে বাদির অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়ে নিঃস্ব হয়ে যায়। বাদির দায়ের করা মোট আটটি মামলার মধ্যে চারটি
বিশ্বজিৎ বনিক, পিতা: শচীন্দ্র বনিক,
সাথে তার অপর সহযোগী মাে: ফখরুদ্দীন আহমেদ পিতা: মরহুম ডাঃ রায়হান উদ্দীন আহমদ। ভিন্ন চারটি মামলার অর্থদণ্ড ও তিনবছর চারমাস সাজা পরোয়ানায়
পলাতক রয়েছেন।
আপনার মন্তব্য লিখুন