রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
সুজিত কুমার দাশ:
বিশ্ববিশ্রুত সানাই সম্রাট উস্তাদ বিসমিল্লাহ খাঁ কে উৎসর্গ করে সদারঙ্গ উচ্চাঙ্গ সংগীত পরিষদ বাংলাদেশ এবছর আয়োজন করেছিল ‘২৯তম জাতীয় উচ্চাঙ্গ সংগীত সম্মেলন-২০২৬’ থিয়েটার ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামে। (১৬ জানুয়ারি -২০২৬ইং,) ছিল শেষ দিন। সারং রাগের মিষ্টি সুরে এদিন শুরু হয় প্রভাতী অধিবেশন সকাল ৯ টায়। সারং রাগে খেয়াল পরিবেশন করেন চট্টগ্রামের কিশোরী শিল্পী স্বস্তিকা দাশগুপ্তা হৈমী। সহযোগিতা করেন তবলায় শিল্পী রাজিব চক্রবর্তী, হারমোনিয়ামে অর্পিতা দেবী দোলা ও তানপুরায় শিল্পী রুচিরা বড়ুয়া। এরপর কিশোরী শিল্পী অনন্যা দাশ পরিবশন করেন একক বংশী বাদন। তবলা সহযোগীতা করেন তারই গুরু শিল্পী রণধীর দাশ। এরপর শুরু হয় সেমিনার। বিষয় : উচ্চাঙ্গ সংগীতে বাণী ও তালের গুরুত্ব। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর ড. মুস্তাফিজুর রহমান ছিদ্দিকী। কথা আর গানের সমন্বয়ে বিষয় উপস্থাপন করেন পণ্ডিত ড. স্বর্ণময় চক্রবর্ত্তী। আলোচনা করেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সহিদ উল্যাহ লিপন ।
পিলু বারোয়া ও ঝিঁঝিট রাগের সুরে সমবেত বংশী বাদনের মাধ্যমে
সর্বশেষ অধিবেশন শুরু হয় বিকেল পাঁচটায়। অংশগ্রহণ করেন বংশীধ্বনি র শিক্ষার্থীবৃন্দ। এতে তবলায় সহযোগিতা করেন অমিত চৌধুরী দীপ্ত।
উদ্বোধক শিল্পী রিয়াজ ওয়ায়েজ এর শুভেচ্ছা পাঠ করে শোনান সদারঙ্গের সাধারণ সম্পাদক সমীর চক্রবর্ত্তী।
একক পরিবেশনার শুরুতে বাগেশ্রী রাগে খেয়াল পরিবেশন করেন চট্টগ্রামের শিল্পী ফাল্গুনী বড়ুয়া অলি। এতে সহযোগী ছিলেন তবলায় রাজিব চক্রবর্তী, হারমোনিয়ামে শিল্পী অর্পিতা দেবী দোলা এবং তানপুরায় শিল্পী রুচিরা বড়ুয়া। খুলনার শিল্পী সাইফুল তানকর খেয়াল পরিবেশন করলেন নন্দ্ রাগে। তবলায় সহযোগিতা করেন ঠাকুগাও এর শিল্পী প্রশান্ত কুমার দাশ, হারমোনিয়ামে রথীন টিকাদার , তানপুরায় মীর এনায়েত উল্লাহ সানি। এই সম্মেলনের শেষ শিল্পী ছিলেন রাজশাহীর শরৎ কুমার পাল। তিনি বাঁশিতে পরিবেশন করেন রাগ: মারুবেহাগ। সহযোগী ছিলেন ঢাকার শিল্পী জাকির হোসেন। সর্বশেষ চিত্তাকর্ষক ধুনের সুরে পর্দা নামলো এবারের ২৯তম জাতীয় উচ্চাঙ্গ সংগীত সম্মেলন-২০২৬ এর। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় রাজশ্রী বিশ্বাস এবং অর্পিতা দেবী দোলা আগামী বছর এই সুরের উৎসবে সবাইকে যুক্ত হওয়ার অগ্রীম আমন্ত্রণ জানিয়ে সম্মেলনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
আপনার মন্তব্য লিখুন