রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০২:২১ অপরাহ্ন

নোটিশ :
✆ন্যাশনাল কল সেন্টার:৩৩৩| স্বাস্থ্য বাতায়ন:১৬২৬৩|আইইডিসিআর:১০৬৬৫|বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন:০৯৬১১৬৭৭৭৭৭
সংবাদ শিরোনাম
আসন্ন সিটি নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে ত্যাগী নেতা শরীফ হোসেনকে দেখতে চায় ৩৮ নং ওয়ার্ডের ওয়ারীবাসী আগামী উপজেলা নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন :মতবিনিময় সভায় বদরুচ মেহের ২৫নং রামপুর ওয়ার্ড বাসীর কাছে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী দিদারুল আলম নেভির নির্বাচনী কাঠামো আমুচিয়া ইউনিয়নের জনগণের কাছে সম্ভাব্য প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেনের নির্বাচনী কাঠামো জাতীয়তাবাদী চর্চাকে পৃষ্ঠপোষকতা করলে দলীয় আদর্শ আরও প্রসারিত হবে — জাহিদুল করিম কচি শহীদ জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী ও মিরেশ্বরাই কৃষক দলের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক : শাহনুর শাহিন হিরু জিয়াউর রহমান ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক : বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল করিম ডায়মন্ড সিমেন্টের ডিলারদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত পোপাদিয়া সমাজ কল্যাণ সমিতি গঠিত: সভাপতি জসিম সম্পাদক সাইমন

সোসাইটির নামে আমুচিয়া ইউপি চেয়ারম্যান কাজল দের বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ইউপি চেয়ারম্যান কাজলের প্রতারণা:
আরবান কো-অপারেটিভ হাউজিং
সোসাইটির নামে পাঁচ শতাধিক
গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ

বোয়ালখালী ধোরলা কানুনগোপাড়া আরবান কো- অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির পাঁচ শতাধিক গ্রাহকের লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে আমুচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি কাজল দে এর বিরুদ্ধে।
আমুচিয়া ইউনিয়নের ধোরলার খানবাহাদুর পাড়ার বাসিন্দা রওশন আকতার (৪৫)। তাঁর স্বামী আলী হোসেন একটি গাড়ির গ্যারেজে কাজ করেন। অভাবের সংসারে সঞ্চয় করার জন্য এক লাখ ৭৫ হাজার টাকা জমা রাখেন ধোরালা কানুনগোপাড়া আরবান কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডে। ২০১৬ সালে সঞ্চয়ের ৬০ হাজার টাকা পেলেও বাকি এক লাখ ১৫ হাজার টাকা পাচ্ছেন না প্রায় আট বছর ধরে। বর্তমানে তাঁর স্বামী অসুস্থ। স্বামীর চিকিৎসা করাতে বারবার ধরনা দিয়েও মিলেনি বাকি টাকা।

একই ইউনিয়নের আরেক বাসিন্দা ডেজি আকতার (২৫)। নগরীর একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। সঞ্চয় করার জন্য ১৬ হাজার টাকা জমা রাখেন আরবান কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডে। আট হাজার টাকা পেলেও বাকি আট হাজার টাকা তিনি পাচ্ছে না এখনো। শুধু রওশন আকতার বা ডেজী আকতার নন; এমন বিপাকে পড়েছেন সোসাইটির পাঁচ শতাধিক সদস্য।

জানা যায়, ১৮১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত আরবান
কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে বর্তমানে কর্মরত আছেন আমুচিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আমুচিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজল দে। সোসাইটির সভাপতি প্রদীপ কুমার দাশ ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন কাজল দের ভাইপো সঞ্জয় কুমার দে। ভূক্তভোগী ডেজি আকতার বলেন, ‘আমরা টাকার জন্য অফিসে গেলে সব সময় বন্ধ পাওয়া যায়। আমাদের
দেখলে আর অফিস খুলে না।’
গত কয়েক বছর আগে তোপের মুখে পড়ে সমবায় কর্মকর্তার উপস্থিতিতে গ্রাহকদের মধ্যে রিপা রক্ষিত ১০ হাজার, ছালেয়া বেগম ৩০ হাজার, রাবেয়া বেগম ২০ হাজার, মনি রক্ষিত সাত হাজার, মঞ্জুশ্রী রক্ষিত চার হাজার, নমিতা রক্ষিত পাঁচ হাজার, শিল্পী ঘোষ ২০ হাজার টাকাসহ এক লাখ ২৪ হাজার টাকা বুঝিয়ে দেন
সোসাইটির অর্থ সম্পাদক কাজল দে। তবে এখনো শত শত গ্রাহক লাখ লাখ টাকা পাবেন বলে জানা গেছে।
সোসাইটির সভাপতি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, আগের কমিটির সভাপতি সদস্যদের টাকা নিয়ে সমিতির একটি ঘর নির্মাণ করে ফেলেছেন। ফলে গ্রাহকদের টাকা পর্যায়ক্রমে সদস্যদের ফেরত দেওয়া হচ্ছে। উপজেলা সমবায় কার্যালয় সূত্রে জানা যায়,
আরবান কো-অপারেটিভ সোসাইটির ২০১৮ সালের ৩০ জুনের উপজেলা সমবায় অফিসের অডিট প্রতিবেদনের হিসাব মতে, সোসাইটির মূলধন ও দায় ৯০ লাখ ৮৫ হাজার ২৫৮ টাকা ৭০ পয়সা। এ ছাড়া চেয়ারম্যান হওয়ার সুবাদে অন্যের জায়গা দখল, ওয়ারিশ সনদ জালিয়াতি, ইউপি সদস্যদের মাসিক সম্মানী না দেওয়াসহ বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগও রয়েছে কাজল দের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী তপন দে বলেন, ‘আমার বাপ-দাদার জমি জোরপূর্বক দখল করে রেখেছেন কাজল চেয়ারম্যান।’ আমুচিয়া ইউপি চেয়ারম্যান কাজল দে গ্রাহকের পাওনা টাকার বিষয়ে বলেন, ‘গ্রাহকের টাকা দিয়ে আগের কমিটির সদস্যরা সমিতির নামে দোতলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করে ফেলেছেন। ফলে বর্তমান কমিটির সদস্যরা গ্রাহকের টাকা নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ করতে পারছেন না। বর্তমানে ইউপি চেয়ারম্যান কাজল দে পলাতক রয়েছেন। প্রতিদিন প্রতারিত গ্রাহকরা তার
বাড়িতে ধর্না দিচ্ছে।

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

Archive

© All rights reserved © 2021 Dainiksomor.net
Design & Developed BY N Host BD