রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন
তৌহিদুল হাসান টিপু:
“শিক্ষক দিবস”হলো এমন একটি বিশেষায়িত দিন, যেদিন সকলে সমাজের আলোকবর্তিকা হিসাবে সার্বজনীনভাবে শিক্ষকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।এই দিনটি শুধু একটি উৎসব নয়,বরং শিক্ষক তথা গুরুজন দের ত্যাগ, নিঃস্বার্থ অবদান ও পরিশ্রমের প্রতি সম্মান দেখানোর এক অমূল্য উপলক্ষ। বিশ্বব্যাপী শিক্ষক দিবস একটি নির্দিষ্ট দিনে পালন করা হয়।শিক্ষকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে তাদের সামাজিক মর্যাদা উপলব্ধি করা যায়।প্রতি বৎসর ৫ই অক্টোবর এই দিনটি দিবসের মর্যাদায় গুরুত্বসহকারে পালনের ইতিহাস সার্বজনীন ও বিশ্বজনীন। শিক্ষক শুধু একজন ব্যাক্তি নন,তিনি একটি প্রতিষ্ঠান, একটি জাতির নির্মাতা সর্বোপরি একটি জাতির বিবেক।কিন্তু আজ শিক্ষক সমাজ উপেক্ষিত ও বৈষম্যের শিকার। তাদের সম্মানী খুবই অপ্রতুল, যার ফলে অবমাননাকর জীবন-যাপনে তারা অভ্যস্ত।আশানুরূপ সম্মানীর অভাবে মানসম্মত শিক্ষকের ঘাটতি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।যদি উপযুক্ত সম্মানী বৃদ্ধি করে শিক্ষকতা পেশার প্রতি আরও আকর্ষন সৃষ্টি করা যায় তবে জাতির সমৃদ্ধি ও মর্যাদা অনেক বৃদ্ধি পাবে।শিক্ষক শব্দের সাথে শিষ্ঠাচার,ক্ষমা ও কর্তব্যপরায়ণ জড়িত থাকার কারনে শিক্ষকরা অবহেলিত হওয়ার পরও দায়ীত্বপালন থেকে বিচ্যুত হয়না।কারন তাদের জন্য এটা পেশার চেয়ে ও নেশা হিসাবে মহামূল্যবান।
শিক্ষকসমাজ করুনা চায়না, ন্যায্য অধিকার ও সম্মান চায়। তাই শিক্ষক সমাজকে বাঁচিয়ে রাখুন—–দেশ সমৃদ্ধ হবে,জাতি সমৃদ্ধ হবে,ভবিষ্যৎ আলোকিত হবে।এটাই শিক্ষক সমাজের প্রত্যাশা।
লেখক:-মুহাম্মদ তৌহিদুল হাছান।
প্রধান শিক্ষক,বারৈপাড়া মোস্তাফিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
সৈয়দনগর, বোয়ালখালী, চট্টগ্রাম।
সভাপতি
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি
বোয়ালখালী উপজেলা শাখা,চট্টগ্রাম।।
আপনার মন্তব্য লিখুন