শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ০৯:১৭ অপরাহ্ন

নোটিশ :
✆ন্যাশনাল কল সেন্টার:৩৩৩| স্বাস্থ্য বাতায়ন:১৬২৬৩|আইইডিসিআর:১০৬৬৫|বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন:০৯৬১১৬৭৭৭৭৭
সংবাদ শিরোনাম
বোয়ালখালী পশ্চিম জৈষ্ঠপুরায় ছৈয়দ ওসমান গণি (রঃ) ও মাহবুবুল হক ( রঃ)এর বার্ষিক ওরশ শরীফ ও পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) অনুষ্ঠিত মহান একুশে ফেব্রুয়ারি :শোকার্ত বুক, হাতে শ্রদ্ধার ফুল সন্দেহ নেই, একুশে ফেব্রুয়ারি একটি জীবন্ত সত্তা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের কমিটির রূপরেখা অনেকটা প্রস্তুত, মহানগর ছাত্রলীগের তোড়জোড় বোয়ালখালীর আলহাজ্ব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম দ্বিতীয় বারের মতো সিআইপি নির্বাচিত হওয়ায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সারোয়াতলীতে মাস্টারদা সূর্য সেন ও বিপ্লবীতারকেশ্বর দস্তিদারের ৯১তম ফাঁসি দিবস পালন প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলায় জসিম উদ্দীন সিআইপি পলাতক ও স্ত্রী রুমা আকতারের বিরুদ্ধে সমন জারী প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সম্মেলন ছাড়াই কমিটি পাচ্ছে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ সাবেক সাংসদ মোছলেম উদ্দিনের মৃত্যুবার্ষিকীতে চরণদ্বীপ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল টিসিজেএ মিডিয়া কাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন আর টিভি একাদশ

ভাষা আন্দোলনের সূচনা

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

একরামুল করিম:
ভাষা আন্দোলনের প্রকৃত ইতিহাস হলো এই যে, ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট প্রতিষ্ঠার দিনেই (১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮) সর্বপ্রথম ভাষা আন্দোলনের সূচনা হয় দু’জন দুঃসাহসী বাংগালি অফিসার মেজর মেজর মুহাম্মদ তোহাম্মল হোসেন ও ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আব্দুল গণি কর্তৃক। বেঙ্গল রেজিমেন্টের আনুষ্ঠানিক পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠান শেষে চা-চক্রে অভাবনীয় ও দুঃসাহসী এক ঘটনার অবতারণা হয়। পূর্ব পাকিস্তানের এরিয়া কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আইয়ুব খান সকলের উদ্দেশ্যে তাঁর বক্তব্যে বলেন: “From now on-words Bengali Soldiers will speak in Urdu and NOT in BENGALI.” সাথে সাথে এ কথার তীব্র প্রতিবাদ করে মেজর মুহাম্মদ তোহাম্মল হোসেন বলেন, “Excuse me Sir, in West Pakistan Patthan soldiers are allowed to speak in Pestoo and Urdu. Similarly, our Bengali soldiers should be allowed to speak in Bengali and Urdu.”
ক্ষুব্ধ আইয়ুব খাঁন কঠিন ভাষায় বলে উঠলেন, “Nonsense, absurd, sit down.” এরপর ক্যাপ্টেন গণি আবেগতাড়িত হয়ে বলে উঠলেন : “Excuse me Sir, whatever Major M. T. Hossain has said is correct. We Bengali soldiers will never speak in Urdu, but in our mother tongue Bengali.”
এর জবাবে আইউব খান ক্ষুব্ধ কন্ঠে “Shut up. Sit down” বলে ক্যাপ্টেন গণিকে থামিয়ে দেন। ১৪ ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমাডিং তথা পূর্ব পাকিস্তানের সর্বোচ্চ পদের সামরিক কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ আইউব খান এ দুই নির্ভিক অফিসারের উদ্ধতপূর্ণ আচরণে তাঁদের উপর ভীষণ ক্ষিপ্র হন। এ দুঃসাহসিক ভূমিকার জন্য এ সময় থেকেই তাঁকে ‘টাইগার গণি’হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়। এর কিছুদিনের মধ্যে উর্দুতে কথা বলার নির্দেশ জারি হলে মেজর এম টি হোসেন ও ক্যাপ্টেন গণি তা অমান্য করেন এবং এজন্য তাঁদের উপর নিবর্তন চলতে থাকে। কিছুদিনের মধ্যে তাঁদেরকে পল্টন থেকে বদলি করা হয় ও তাঁদের পদোন্নতি বন্ধ করা হয়। এরকম স্পষ্টবাদিতার উদাহরণ আজকের দিনে একেবারেই বিরল এবং ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় অকল্পনীয়। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, এ ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ সালেই প্রকৃতপক্ষে ভাষা আন্দোলনের সূচনা হয় এবং মেজর এম টি হোসেন ও মেজর গণি হলেন এ অদৃশ্য আন্দোলনের সূচনাকারী ও মহানায়ক। জাতি হিসেবে আমরা প্রায় অকৃতজ্ঞ। কেননা, এ সকল বীরপুরুষদের আমরা কদাচিৎ স্মরণ করি এবং নতুন প্রজন্ম এঁদের ইতিহহাস সম্পর্কেও অবহিত নয়। তাই হয়তো কবি বলেছেন:
“God and soldier all men adore,
In times of danger and not before.
When danger is over and things are righted,
God is forgotten and poor soldier is slighted.”

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন


Archive

© All rights reserved © 2021 Dainiksomor.net
Design & Developed BY N Host BD