বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ০৬:২৫ অপরাহ্ন

নোটিশ :
✆ন্যাশনাল কল সেন্টার:৩৩৩| স্বাস্থ্য বাতায়ন:১৬২৬৩|আইইডিসিআর:১০৬৬৫|বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন:০৯৬১১৬৭৭৭৭৭
সংবাদ শিরোনাম
শিয়াদের বার্ষিক শোক দিবস ওমানে গুলিতে ছয়জন নিহত : মার্কিন দূতাবাসে সতর্কতা কোটাবিরোধী আন্দোলন: দিনভর সংঘর্ষে নিহত ৬ : চট্টগ্রামে ৩ স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা, স্থগিত বৃহস্পতিবারের এইচএসসি পরীক্ষা বোয়ালখালী প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে নবাগত ইউএনও’র সৌজন্য সাক্ষাৎ উল্লেখিত প্রকৃত জায়গার মালিক মো: সরোয়ার আলম ৯৬,০০০ অবৈধ বাংলাদেশি কর্মীকে বৈধতা দেবে ওমান বোয়ালখালী ধোরলার ইউসুফ মিয়া’র জানাজা ও দাফন সম্পন্ন সহজ ম্যাচ কঠিন করে জিতলো বাংলাদেশ ঈদুল আজহা ১৭ই জুন চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে ৯ নম্বর মহাবিপৎ সংকেত, ১২ ফুট উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা, সন্ধ্যায় আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় রিমাল

বন্যায় নির্মাণাধীন কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রেলপথ ক্ষতিগ্রস্ত

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

এস এম ইরফান নাবিল :

চলমান বন্যায় নির্মাণাধীন কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রেললাইনের বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বান্দরবান সংলগ্ন এলাকায় রেললাইনটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বুধবার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ভারী বর্ষণে পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় চট্টগ্রামের সাতকানিয়া ও চন্দনাইশ এবং কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া ও রামু এবং বান্দরবানের বেশ কিছু এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখনো ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হিসাব করছে কর্তৃপক্ষ।
প্রকল্প পরিচালক মফিজুর রহমান বলেন, ‘প্রকল্পের কিছু জায়গায় রেললাইন পানির নিচে চলে গেছে। বন্যায় রেললাইনের পাথর, মাটি ও বাঁধ ভেসে গেছে। কিছু অংশে রেললাইন হেলে পড়েছে।’
এবারের ক্ষতি এ প্রকল্পের জন্য গুরুতর ধাক্কা এবং এ ক্ষতির কারণে প্রকল্প শেষ হতে দেরি হতে পারে বলে উলে­খ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘এ অঞ্চলে যোগাযোগব্যবস্থা ঠিক না হওয়ায় আমরা এখনো ক্ষয়ক্ষতির পুরো রিপোর্ট পাইনি। আমরা কিছু লোককে পাঠিয়েছিলাম ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করতে। পানি কমে গেলে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র পাব।’
মফিজুর রহমান বলেন, ‘বান্দরবানের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে পানির স্রোত এসে সাতকানিয়ার কেরানিরহাটের কাছে রেললাইনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে।’
পানির স্রোতে রেলের জমিতে ভূমিক্ষয় হতে পারে এবং পানি বের হয়ে যাওয়ার সময় আরও ক্ষতি হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রেললাইনটি বন্যার পানি নেমে যেতে বাধা দেয়’ এমন দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘রেললাইনের পূর্ব ও পশ্চিম উভয় পানির পানির লেভেল সমান। উজানের পানি নেমে গেলে, আমাদের দোষ দেওয়া যেত, কিন্ তা হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রেললাইন যেন পানির জন্য বাধা না হয়, সেজন্য রেললাইনে ২ শতাধিক কালভার্ট ও সেতু আছে।’
চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে নির্মাণাধীন রেললাইন চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যে খুলে দেওয়া হবে বলে গত ১৬ মে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

Archive

© All rights reserved © 2021 Dainiksomor.net
Design & Developed BY N Host BD