শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ০৯:০৭ অপরাহ্ন

নোটিশ :
✆ন্যাশনাল কল সেন্টার:৩৩৩| স্বাস্থ্য বাতায়ন:১৬২৬৩|আইইডিসিআর:১০৬৬৫|বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন:০৯৬১১৬৭৭৭৭৭
সংবাদ শিরোনাম
বোয়ালখালী পশ্চিম জৈষ্ঠপুরায় ছৈয়দ ওসমান গণি (রঃ) ও মাহবুবুল হক ( রঃ)এর বার্ষিক ওরশ শরীফ ও পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) অনুষ্ঠিত মহান একুশে ফেব্রুয়ারি :শোকার্ত বুক, হাতে শ্রদ্ধার ফুল সন্দেহ নেই, একুশে ফেব্রুয়ারি একটি জীবন্ত সত্তা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের কমিটির রূপরেখা অনেকটা প্রস্তুত, মহানগর ছাত্রলীগের তোড়জোড় বোয়ালখালীর আলহাজ্ব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম দ্বিতীয় বারের মতো সিআইপি নির্বাচিত হওয়ায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সারোয়াতলীতে মাস্টারদা সূর্য সেন ও বিপ্লবীতারকেশ্বর দস্তিদারের ৯১তম ফাঁসি দিবস পালন প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলায় জসিম উদ্দীন সিআইপি পলাতক ও স্ত্রী রুমা আকতারের বিরুদ্ধে সমন জারী প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সম্মেলন ছাড়াই কমিটি পাচ্ছে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ সাবেক সাংসদ মোছলেম উদ্দিনের মৃত্যুবার্ষিকীতে চরণদ্বীপ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল টিসিজেএ মিডিয়া কাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন আর টিভি একাদশ

প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ :লড়াই হবে আ.লীগ-স্বতন্ত্রে

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

এস এম ইরফান নাবিল :

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছে রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ৬ জন পেয়েছেন ঈগল প্রতীক, ৪ জন কেটলি প্রতীক, ৩ জন ট্রাক প্রতীক, ২ জন ফুলকপি এবং এক জন করে পেয়েছেন তরমুজ ও বেঞ্চ প্রতীক।
সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে চট্টগ্রামে বিভাগীয় কমিশন ও জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম–১ (মীরসরাই) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন পেয়েছেন ঈগল প্রতীক।
এ আসনে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূলত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মাহবুব উর রহমানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে স্বতন্ত্র প্রার্থী গিয়াস উদ্দিনের।
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক ফটিকছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আবু তৈয়ব পেয়েছেন তরমুজ প্রতীক এবং আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শাহজাহান পেয়েছেন ঈগল প্রতীক।
এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮ প্রার্থী। আওয়ামী লীগের প্রার্থী খাদিজাতুল আনোয়ার সনির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে আবু তৈয়বের।
চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে স্বতন্ত্রপ্রার্থী স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) নেতা মো. জামাল উদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন ঈগল প্রতীক। এ আসনে ৮ জন প্রার্থী থাকলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাজফুজুর রহমানের সঙ্গে জামাল উদ্দিনের।
চট্টগ্রাম-৩ (সীতাকুণ্ড): এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীসহ বিভিন্ন দলের ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী না থাকায় দলীয় প্রতীকই প্রার্থীদের বরাদ্দ দেওয়া হয়।
চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহজাহান চৌধুরী পেয়েছেন কেটলি প্রতীক। হাটহাজারীর এ আসনটিতে এবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সালামকে। শেষ মুহুর্তে জাতীয় পার্টির সঙ্গে আসন ভাগাভাগি হওয়ায় প্রার্থীতা প্রত্যাহার করতে হয় তাকে। এ আসনে ৭ জন প্রার্থী থাকলেও জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের বিপরীতে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী সাবেক চাকসু ভিপি নাজিম উদ্দিনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে বলে আভাস মিলছে।
চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিউল আজম পেয়েছেন ট্রাক প্রতীক। এ আসনে ৫ জন প্রার্থী হলেও পর পর তিন বার নির্বাচিত আওয়ামী লীগের প্রার্থীর এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর বিপরীতে শক্ত প্রতিপক্ষ নেই বললেই চলে।
চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে নেই কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী। তবে আছেন মোট ৬ জন প্রার্থী। এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মহানগর আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক আবদুচ ছালাম পেয়েছেন কেটলি প্রতীক। বিভিন্ন দলের ১০ জন প্রার্থী রয়েছে আসনটিতে। জাতীয় পার্টির সোলাইমান আলম শেঠের সমর্থনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নোমান আল মাহমুদ প্রার্থীতা প্রত্যাহার করায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুচ ছালামের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর।
চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী) আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্বিতা করেছেন। কোনো শক্ত প্রতিপক্ষ না থাকায় অনেকটা খালি মাঠেই গোল দিতে পারেন বর্তমান শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।
চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং) এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদ মাহমুদ পেয়েছেন কেটলি প্রতীক। এছাড়া এ আসনে সাবেক মেয়র মনজুর আলম পেয়েছেন ফুলকপি প্রতীক। আসনটিতে ৯ জন প্রার্থী থাকলেও সাবেক মেয়র মনজুর আলমের সঙ্গে বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের মহিউদ্দিন বাচ্চুর প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে।
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) এ আসনের সাত জন প্রার্থী রয়েছে। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউল হক সুমন পেয়েছেন কেটলি প্রতীক। আসনটিতে আওয়ামী প্রার্থী রয়েছে এম এ লতিফ। অন্যান্য প্রার্থী থাকলেও এই দুই প্রার্থীর মধ্যে হতে পারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে হুইপের দায়িত্বে থাকার পরও দলীয় মনোনয়ন পাননি শামসুল হক চৌধুরী। এ আসনে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী নৌকার মনোনয়ন পান। এ আসনে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ৮ জন।
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা) আসনে ৭ প্রার্থী দলীয় প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ আসনে নির্বাচন করছেন বর্তমান ভূমিমন্ত্রী আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ।
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল জাব্বার পেয়েছেন ট্রাক প্রতীক। এ আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী রয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রার্থী নজরুল ইসলাম ও আব্দুল জাব্বারের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে এলডিপির দুর্গ হিসেবে খ্যাত আসনটিতে।
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া) এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ মোতালেব পেয়েছেন ঈগল প্রতীক। সাতকানিয়া এ আসনটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রয়েছেন আবু রেজা মোহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী। এ আসনে নদভীর মূল প্রতিপক্ষ মোতালেব। নির্বাচনের প্রচারণা শুরু আগেই দুই পক্ষের সমর্থকদের উত্তেজনায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিলছে।
চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে তিন জন স্বতন্ত্র প্রার্থী সহ মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আছেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মুজিবুল হক সিআইপি। এ আসনের নৌকার প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান বিভিন্ন কারণে বিতর্কিত হওয়ায় অনেকটাই কোণঠাসা। নির্বাচনের মাঠে মুজিব-মোস্তাফিজের ভোটের লড়াই দেখার অপেক্ষায় বাঁশখালীর ভোটারা। এছাড়া এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবুল হক ঈগল, আব্দুল্লাহ কবির ট্রাক, খালেকুজ্জামান বেঞ্চ প্রতীক পেয়েছেন।
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামে মোট ১৪৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইয়ে ৩২ জনের মনোনয়ন বাতিল করেন রিটার্নিং অফিসার। ১১৬ জনের মনোননয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। বাছাইয়ে বাদ পড়াদের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের আপিল করে প্রার্থীতা ফিরে পান ১২ জন। আরেকজন উচ্চ আদালতের নির্দেশে প্রার্থীতা ফিরে পান। সবমিলে ১৬ আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ১২৯ জন। তাদের মধ্যে থেকে গতকাল ৯ জন প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেন। এখন ভোটের মাঠে আছেন ১২০ প্রার্থী।

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন


Archive

© All rights reserved © 2021 Dainiksomor.net
Design & Developed BY N Host BD