বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:৪৪ অপরাহ্ন

নোটিশ :
✆ন্যাশনাল কল সেন্টার:৩৩৩| স্বাস্থ্য বাতায়ন:১৬২৬৩|আইইডিসিআর:১০৬৬৫|বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন:০৯৬১১৬৭৭৭৭৭
সংবাদ শিরোনাম
বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ইসহাক এর দাফন সম্পন্ন ঈদ মুবারক চট্টগ্রামে একুশের কণ্ঠ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বান্দরবানে কম্বিং অপারেশন শুরু : সেনাপ্রধান শবেকদর সম্পর্কে কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে মক্কায় ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আবদুল হাকিমের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল আমুচিয়া ইউনিয়নের ইমাম, মোয়াজ্জিনদের মাঝে প্রবাসী এমদাদুল ইসলামের ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ জেলা প্রশাসকের নিকট বিপ্লবী তারকেশ্বর দস্তিদার স্মৃতি পরিষদ’র স্মারকলিপি প্রদান বোয়ালখালীতে জোরপূর্বক জায়গা দখলের পাঁয়তারা অনেকটা অভিমান নিয়েই যেন চলে গেলেন মোহাম্মদ ইউসুফ : ক্রীড়াঙ্গনে শোকের ছায়া

নির্বাচন জরিপ: নিশ্চিত জয়, আওয়ামী লীগ ৭০ বিএনপি ৭০

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

সমর প্রতিবেদক:
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভিত্তি ভোট অনুয়ায়ী ক্ষমতাসীন অওয়ামী লীগ ৭০টি, বিএনপি ৭০টি, জাতীয় পার্টি ১১টি ও অন্যান্য দল ৪টি ভিত্তি আসন পাবে। এখানে ভিত্তি আসন বলতে বুঝানো হয়েছে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির যে সকল আসনে তাদের নিজস্ব যে ভোট আছে সেইগুলো। এরকম আসনের সংখ্যা রয়েছে মোট ১৫৫টি। অর্থনীতি সমিতি একটি গবেষণা ফরাফলে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
গবেষণা ফলাফলে বলা হয়েছে, ভিত্তি আসন গুলোর বাইরের ভোট ছাড়া দলীয় নিজস্ব ভোট। যে কোন ধরনের নির্বাচনই হোক না কেন, যে কোন পরিস্ নির্বাচন হোক না কেন আওয়ামী লীগ ৭০টি আসন নিশ্চিত পাবে। একই ভাবে বিএনপিও ৭০টি আসনে বিজয়ী হবে। অন্যান্যে দলের ভিত্তি আসন ধরা হয়েছে ১৫টি। এর মধ্যে ১১টি হলো জাতীয় পার্টির। গবেষণা ফলাফলে আরো বলা হয়, আমাদের হিসাবে দেশে ভিত্তি আসনের আনুমানিক সংখ্যা হবে মোট ১৫৫টি (দেশে মোট আসনের ৫১.৭ শতাংশ)। এই ১৫৫টি সম্ভাব্য বিজয় নিশ্চিত আসন অথবা “ভিত্তি আসন”—এর বণ্টন হবে এ রকম: আওয়ামী লীগ ৭০টি আসন (মোট আসনের ২৩ শতাংশ), বিএনপি ৭০টি আসন (মোট আসনের ২৩ শতাংশ), আর অন্যান্য দল ১৫টি আসন (মোট আসনের ৫ শতাংশ)
এসব আসনে “দোদুল্যমান ভোট” বা “পরিবর্তনীয় ভোট”—এর খুব একটা ভূমিকা থাকবে না। তবে এর বিপরীতে আমাদের হিসেবপত্তর বলছে যে ৩০০টি আসনের বাদবাকি ১৪৫টি আসনে (মোট আসনের ৪৮.৩ শতাংশ) জয়—পরাজয় নির্ধারণে দোদুল্যমান ৩০ শতাংশ ভোটের ভূমিকা হবে
নিয়ামক নির্ধারক। আমরা কেন বলছি যে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি―প্রত্যেকের ভিত্তি আসনসংখ্যা ৭০টি? আমরা যে পদ্ধতি মেনে হিসেবপত্তর করেছি তা হলো এই দুই দলের যে কোনো একটি দল যখন সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়নি, তখন ওই দল যেসব আসনে জিতেছিল এবং কমপক্ষে ৪২ শতাংশ ভোট পেয়েছিল আর একই সাথে যেসব আসনে পরাজিত হয়েছিল এবং কমপক্ষে ৪০ শতাংশ ভোট পেয়েছিল এই দুই ধরনের আসনের যোগফলই হলো সেইসব আসন, যার মধ্যে আছে ওই দলের মোট প্রাথমিক ভিত্তি আসন। যে সব ভিত্তি আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ৭০টি করে আসন পাবে সে আসন গুলো নিচে দেয়া হলো।
আওয়ামী লীগের ৭০টি সম্ভাব্য ভিত্তি আসন: গোপালগঞ্জ১, গোপালগঞ্জ২, গোপালগঞ্জ৩, মাদারীপুর১, মাদারীপুর ২, মাদারীপুর ৩, শরীয়তপুর১, শরীয়তপুর২, শরীয়তপুর৩, ফরিদপুর১, ফরিদপুর ৪, রাজবাড়ী২, দিনাজপুর২, দিনাজপুর৩, রংপুর ৬, গাইবান্ধা২, নওগাঁ১, রাজশাহী২, রাজশাহী ৬, নাটোর ৩, সিরাজগঞ্জ ১, পাবনা ৩,
নড়াইল ২, বাগেরহাট১, খুলনা১, খুলনা৩, বরগুনা১, পটুয়াখালী১, বরিশাল১, ঝালকাঠি ২, টাঙ্গাইল ১, জামালপুর ৩, জামালপুর৫, শেরপুর২, ময়মনসিংহ৭, নেত্রকোনা৪, কিশোরগঞ্জ১, কিশোরগঞ্জ৪, কিশোরগঞ্জ ৬, ঢাকা৩, ঢাকা ৫, ঢাকা ৯, ঢাকা ১০, ঢাকা ১১, ঢাকা ১৩, ঢাকা ১৮, গাজীপুর ২, গাজীপুর ৩, নরসিংদী৪, নারায়ণগঞ্জ ১, নারায়ণগঞ্জ ২, সুনামগঞ্জ ৩ সিলেট ৩, সিলেট ৪, মৌলভীবাজার ৪, হবিগঞ্জ ১, হবিগঞ্জ ৩, কুমিল­া ৫,
কুমিল­া ৬, কুমিল­া ৭, কুমিল­া ৯, চাঁদপুর ১, চাঁদপুর ৩, চাঁদপুর ৫, নোয়াখালী ৪, চট্টগ্রাম ৬, কক্সবাজার ৪, পার্বত্য রাঙামাটি, পার্বত্য বান্দরবন।
বিএনপির ৭০টি সম্ভাব্য ভিত্তি আসন: ফেনী ১, ফেনী ২, ফেনী ৩, নোয়াখালী ১, নোয়াখালী ২, নোয়াখালী ৩, নোয়াখালী ৬, লক্ষ্মীপুর ১, লক্ষ্মীপুর ২, লক্ষ্মীপুর ৩, লক্ষ্মীপুর ৪, দিনাজপুর ৬, জয়পুরহাট১, জয়পুরহাট২, বগুড়া ১, বগুড়া ২, বগুড়া৩, বগুড়া৪, বগুড়া ৫, বগুড়া ৬, বগুড়া ৭, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ২, নওগাঁ ৪, নওগাঁ ৬, রাজশাহী ১, রাজশাহী ৪,
রাজশাহী ৫, নাটোর ১, নাটোর ৪, সিরাজগঞ্জ ২, সিরাজগঞ্জ ৫, মেহেরপুর ২, কুষ্টিয়া ৪, চুয়াডাঙ্গা ১, ঝিনাইদহ ২, ঝিনাইদহ ৪, যশোর ৪, যশোর ৬, মাগুড়া ২, খুলনা ২, সাতক্ষীরা ১, বরিশাল২, বরিশাল ৪, বরিশাল ৫, ভোলা ৩, জামালপুর ৪, নেত্রকোনা ৩, মুন্সিগঞ্জ ৩, নরসিংদী ১, নারায়ণগঞ্জ ৪, রাজবাড়ী ১, হবিগঞ্জ ৪, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১, ব্রাহ্মণবাড়িয় ৪, কুমিল­া ২, কুমিল­া ৩, কুমিল­া ৮, চাঁদপুর ৪, সিলেট ২, চট্টগ্রাম ২, চট্টগ্রাম ৫, চট্টগ্রাম ৭, চট্টগ্রাম ৯, চট্টগ্রা ১০, চট্টগ্রা ১৫, চট্টগ্রাম ১৬, কক্সবাজার ১, কক্সবাজার ৩।
অন্যান্য দলের ১৫টি সম্ভাব্য ভিত্তি আসন: জাতীয় পার্টির ১১টি―রংপুর ১, রংপুর ২, রংপুর ৩, লালমনিরহাট ২, লালমনিরহাট ৩, নীলফামারী ১, ঠাকুরগাঁও ৩, কুড়িগ্রাম ১, কুড়িগ্রাম ২, কুড়িগ্রাম ৩, চট্টগ্রাম ৪; জামায়াতে ইসলামীর ২টি চট্টগ্রাম ১৪, কক্সবাজার ২; এনডিপির ১টি চট্টগ্রাম ১৩, বিজেপির ১টি ভোলা ১।
আ.লীগ ১৬৬, বিএনপি ১৩৭
গবেষণার ফলাফলে বলা হয়, দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৫৫টি আসনের ফলাফল মোটামুটি নির্ধারিত। এগুলো দলগুলোর জন্য ‘সম্ভাব্য বিজয় নিশ্চিত’ আসন। এর মধ্যে ৭০টি আসন পাবে আওয়ামী লীগ ও ৭০টি আসন পাবে বিএনপি। বাকি ১৫টি আসন পাবে অন্যান্য দল। তবে এই আসন দিয়ে সরকার গঠন নিরূপণ হবে না। অন্য ১৪৫টি সংসদীয় আসনের ফলাফলের ওপর নিভর করতে হবে।
দোদুল্যমান ভোটারদের ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে ৫টি উপাদান প্রভাব রাখবে বলে গবেষণার ফলাফলে বলা হয়। এগুলো হচ্ছে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃখলা ও মানবাধিকার পরিস্িিতি, ২০১৪ ও ২০১৮ জাতীয় নির্বাচন, পদ্মা সেতু ও মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞা।
এর মধ্যে প্রথম তিনটি উপাদানের সুবিধা পাবে বিএনপি। আর পদ্মা সেতুর সুবিধা পুরোটাই পাবে আওয়ামী লীগ। মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিতে জাতীয় সংহতির ইস্যু বানাতে পারলে এর সুবিধা আওয়ামী লীগ পেতে পারে।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ৩০০ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ১৪৮ থেকে ১৬৬টি, বিএনপি ১১৯ থেকে ১৩৭টি এবং অন্যান্য দল ১৫টির মতো আসন পেতে পারে। সম্ভাব্য ফলাফলের ভিত্তিতে আওয়ামী লীগের পক্ষে সরকার গঠনের সম্ভাবনা বেশি। বিএনপির পক্ষে এককভাবে সরকার গঠনের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। বিএনপির জোটবদ্ধ সরকার গঠনের সম্ভাবনা থাকলেও তা অনেক বেশি শর্তসাপেক্ষ।

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন


Archive

© All rights reserved © 2021 Dainiksomor.net
Design & Developed BY N Host BD