মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০২৩, ০১:২৩ অপরাহ্ন

নোটিশ :
✆ন্যাশনাল কল সেন্টার:৩৩৩| স্বাস্থ্য বাতায়ন:১৬২৬৩|আইইডিসিআর:১০৬৬৫|বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন:০৯৬১১৬৭৭৭৭৭
সংবাদ শিরোনাম
আউটার স্টেডিয়ামকে নতুন রূপে সাজানোর কাজ শুরু বাংলাদেশে নির্বাচন ও গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হলে দায়ীদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ধ : ব্লিঙ্কেন নির্বাচন ছাড়াই বর্তমান সংসদের মেয়াদ আরও ৫ বছর বাড়ানোর প্রস্তাব ঢাবি শিক্ষকের চট্টগ্রাম-৮ উপনির্বাচন: বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হলেন নোমান স্বপ্নের কালুরঘাট সেতুর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো : নোমান আল মাহমুদ বীর মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সস্তান: ড.মোঃ বদিউল আলম চট্টগ্রামে ৭ বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ, বেড়েছে লোডশেডিং : বেড়েছে মানুষের কষ্ট বোয়ালখালীতে বাস ও সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৫ কালুরঘাট সেতুটি আরেক দফা সংস্কার যাচ্ছে: খরচ হবে ৫৫ কোটি টাকা থেমে গেলো আরেকটি বিবেকি কণ্ঠ

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের অধ্যাদেশে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি বাড়িয়ে মৃত্যুদন্ড করে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন’ সংশোধনের অধ্যাদেশে সাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশে স্বাক্ষর করেছেন বলে জানিয়েছেন তার প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন।
এর আগে সোমবার (১২ অক্টোবর) ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০০০’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা।
সংসদ অধিবেশন না থাকায় সরকার এই অধ্যাদেশ জারি করলো। তবে সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে এই অধ্যাদেশ উপস্থাপন করতে হবে। আইনটি বলবত্ রাখতে চাইলে পরে বিল আকারে তা আনবে সরকার।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী, ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল যাবজ্জীবন কারাদন্ড। দেশজুড়ে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন বিরোধী আন্দোলন এবং ধর্ষণকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড করার দাবির মধ্যে সরকার এই পদক্ষেপ নিল।
সোমবার মন্ত্রিসভায় খসড়া অনুমোদনের পর সচিবালয়ে ব্রিফিং করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। সংশোধিত আইন অনুযায়ী ৯(১) উপধারায় ‘যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড’ শব্দগুলোর পরিবর্তে ‘মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড’ শব্দগুলো প্রতিস্থাপিত হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
তিনি বলেন, ‘গত কিছু দিনের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে নারী ও শিশু নির্যাতনমূলক অপরাধগুলো কঠোরভাবে দমনের জন্য নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) উপধারা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। এই উপধারায় বিধান ছিল- যদি কোনো পুর“ষ কোনো নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তা হলে তিনি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদন্ডেও দন্ডনীয় হবেন।’
আগে যাবজ্জীবন ছিল, সেই শাস্তিও দেয়া যায়নি, এখন সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড করে লাভটা কোথায় হবে- এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘যেভাবে প্রমোশন ক্যাম্পেইন হচ্ছে, এটাও তো একটা প্রমোশনের জায়গা। এটা অবশ্যই সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। যারা ক্রাইম করে তারা অন্তত দুইবার চিন্তা করবে যে, এটাতে তো মৃত্যুদন্ড আছে। এখন তো আর যাবজ্জীবন কারাদন্ড নয়। ১৮০ দিন তো দীর্ঘ সময়ও নয়। ডেফিনেটলি এটার পজিটিভ ইম্প্যাক্ট হবে।’
‘এই আইনে বলা হয়েছে আরোপিত অর্থদন্ডকে, প্রয়োজনবোধে, ট্রাইব্যুনাল অপরাধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে গণ্য করিতে পারিবে এবং অর্থদন্ড বা ক্ষতিপূরণের অর্থ দন্ডিত ব্যক্তির নিকট হইতে বা তাহার বিদ্যমান সম্পদ হইতে আদায় করা সম্ভব না হইলে, ভবিষ্যতে তিনি যে সম্পদের মালিক বা অধিকারী হইবেন সেই সম্পদ হইতে আদায়যোগ্য হইবে এবং এইরূপ ক্ষেত্রে উক্ত সম্পদের ওপর অন্যান্য দাবি অপেক্ষা উক্ত অর্থদন্ড বা ক্ষতিপূরণের দাবি প্রাধান্য পাইবে।’

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন


Archive

© All rights reserved © 2021 Dainiksomor.net
Design & Developed BY N Host BD