শনিবার, ২৮ মে ২০২২, ০২:০৯ অপরাহ্ন

নোটিশ :
✆ন্যাশনাল কল সেন্টার:৩৩৩| স্বাস্থ্য বাতায়ন:১৬২৬৩|আইইডিসিআর:১০৬৬৫|বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন:০৯৬১১৬৭৭৭৭৭
সংবাদ শিরোনাম
বোয়ালখালীর কালাইয়ার হাটে ডাঃ শাহাদাত হোসেন ও আবু সুফিয়ান এর ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় বোয়ালখালীর পশ্চিম কধুরখীলে মাওয়া বাগান বাড়িতে ইস্টার্ন ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং উদ্বোধন বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের ঈদ পুনর্মিলনী২০২২ অনুষ্ঠিত ‘দৈনিক সমর’ এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদ মুবারক এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১৯ জুন, রুটিন প্রকাশ আল-ফালাহ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন। গণজোয়ার সৃষ্টি করে ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির উদ্দ্যেগে বোয়ালখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের ইফতার মাহফিলে যোগদান বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ইমরানের ইনিংসের পতন নগর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সমসাময়িক কৌশল শীর্ষক মতবিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত

জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে এবারও মুক্তি নেই চট্টগ্রামবাসীর

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

এম এম ইরফান নাবিল :

চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে আসবে, কয়েক বছর ধরে সংশ্লি­ষ্ট সংস্থা ও কর্তাব্যক্তিদের কাছ থেকে এমন আশ্বাস পেয়ে আসছিল নগরবাসী। তবে আশ্বাস শুধু মুখেই, বাস্তব অবস্থা ভিন্ন। ভারী বৃষ্টি হলেই এখনো ডুবছে নগরী।
এদিকে জলাবদ্ধতা নিরসনে চার বছর আগে হাতে নেওয়া প্রকল্পের কাজের অগ্রগতিও থেমে আছে আগের জায়গায়। এরই মধ্যে দ্বিতীয় দফায় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ছে আরও দুই বছর।
এ অবস্থায় এবারও জলাবদ্ধতার কবলে পড়ার আশঙ্কা করছে নগরবাসী, যার ‘মহড়া’ ইতিমধ্যে হয়েও গেছে। বর্ষা আসার আগেই চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমের প্রথম ভারী বৃষ্টিতে পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন নগরের অনেক এলাকা তলিয়ে যায় পানিতে।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জলাবদ্ধতা নিরসনে নেওয়া প্রকল্পের কাজের অংশ হিসেবে নগরীর খালগুলোর মধ্যে বাঁধ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া খালগুলো খনন না করায় এতে জন্মেছে আগাছা। আটকে গেছে পানি চলাচলের পথ। ফলে বর্ষার আগেই গত ১৪ মের বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে পড়ে নগরবাসী।
চট্টগ্রাম নগরে ভারী বৃষ্টি ও জোয়ারের কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার সময় প্রতিবছর মানুষের ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে যায়। এতে নষ্ট হয় গৃহস্থালির জিনিসপত্র থেকে শুরু করে ব্যবসায়িক পণ্যসামগ্রী। জলাবদ্ধতায় প্রতিবছর কী পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়, তার সঠিক পরিসংখ্যান নেই। তবে নগরের অন্যতম পাইকারি বাজার চাক্তাই, খাতুনগঞ্জ, আছদগঞ্জ ও কোরবানীগঞ্জের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে চট্টগ্রাম চেম্বারের সহায়তায় পরিকল্পনা কমিশনের ন্যাশনাল রিজিলিয়ান্স প্রোগ্রাম (এনআরপি) ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) যৌথ উদ্যোগে সম্প্রতি একটি গবেষণা করে। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতায় গত এক দশকে ২ হাজার ৫১৭ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাঁচ হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

শুধু মেয়াদই বাড়ছে, অগ্রগতি কম : এবারও নগরবাসী জলাবদ্ধতার শিকার হওয়ার যে আশঙ্কা করছে, তার জন্য অর্থাভাবসহ নানা জটিলতায় জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজের ধীরগতি ও করোনার প্রভাবকে দায়ী করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।
২০১৭ সালের আগস্ট মাসে ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ শীর্ষক সিডিএর প্রকল্প অনুমোদন দেয় একনেক। সিডিএর ৫ হাজার ৬১৬ কোটি টাকার এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড। ২০১৭ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদকাল ধরা হয়। ২০১৮ সালের ২৮ এপ্রিল থেকে খালের আবর্জনা অপসারণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রকল্পের কার্যক্রম। ইতিমধ্যে নগরের ৩৫টি খাল থেকে ৩ হাজার ১৭৯টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৭৭৪ কোটি টাকা।
২০১৮ সালের ২৮ এপ্রিল প্রকল্পের কাজ উদ্বোধনের সময় তৎকালীন সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেছিলেন, ‘এ বছর না হলেও আগামী বছর দৃশ্যমান পরিবর্তন হবে।’ ওই বছর ১২ আগস্ট সিডিএতে অনুষ্ঠিত জলাবদ্ধতা প্রকল্পের তদারকি কমিটির সভায় তৎকালীন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী মোশাররফ হোসেন বলেন, কয়েক বছরের মধ্যে চট্টগ্রামের দুঃখ জলাবদ্ধতা নিরসন হবে। পরের বছর ২০১৯ সালের ২ মার্চ প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামও বলেছিলেন, ‘আশা করে যাচ্ছে, আগের মতো জলাবদ্ধতা হবে না।’ কিন্তু জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাচ্ছে না নগরের বাসিন্দারা।
এরই মধ্যে প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর বাড়িয়ে চলতি বছর জুন পর্যন্ত করা হয়। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা বলছেন, এখন আরও দুই বছর বাড়িয়ে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত করা হচ্ছে প্রকল্পের মেয়াদ।
এভাবে দুই দফায় মেয়াদ বাড়তে চললেও প্রকল্পের অগ্রগতি এখন পর্যন্ত ৫০ শতাংশ। গত বছর পর্যন্ত যা ছিল ৪০ শতাংশ।
এখনো খালের মুখে জলকপাটের নির্মাণকাজ শেষ হয়নি। খালগুলোর পাশে ১৭৬ কিলোমিটার প্রতিরোধ দেয়ালের মধ্যে ৫৮ কিলোমিটারের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। ৪২টি সিলট্র্যাপের (পাহাড়ি বালু আটকানোর ফাঁদ) মধ্যে মাত্র ১৫টির কাজ শুরু হয়েছে। খালের দুই পাড়ে ৮৫ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করার কথা থাকলেও এ পর্যন্ত দেড় কিলোমিটারের কাজ শেষ হয়েছে। তবে সম্পন্ন হয়েছে ৫৪টি ব্রিজ-কালভাটের্র নির্মাণকাজ।
মূলত জমি অধিগ্রহণ না হওয়ায় সব কাজ শুরু করা যাচ্ছে না এবং প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় ভূমি অধিগ্রহণসহ ভৌত কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা। তাঁরা বলছেন, করোনা মহামারির জন্য জলকপাটের নির্মাণকাজ থমকে আছে। গত বছরের মার্চে নেদারল্যান্ডসের একটি প্রতিষ্ঠানকে পাঁচটি জলকপাট নির্মাণের কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল। চলতি বছরের মার্চে তা শেষ করার কথা ছিল। করোনায় জলকপাট তৈরির কাজ বন্ধ ছিল। এখন কাজ শুরু হলেও জলকপাটের প্রয়োজনীয় উপকরণ আগামী অক্টোবরের আগে সরবরাহ করতে পারবে না প্রতিষ্ঠানটি।
প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় খালের দুই পাশে প্রতিরোধ দেয়ালের নির্মাণকাজ থেমে আছে বলে জানান প্রকৌশলীরা। নতুন করে কার্যাদেশও দেওয়া যাচ্ছে না। এ অবস্থায় প্রয়োজনীয় টাকা বরাদ্দ দিতে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড। সংশ্লি­ষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছর ৭৩২ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। কিন্তু সিডিএ কাটছাঁট করে বরাদ্দ রেখেছে ৪২৭ কোটি টাকা। এ পর্যন্ত পাওয়া গেছে ৩৯৯ কোটি টাকা।
প্রকল্পের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শাহ আলী মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, চাহিদা দেওয়ার পরও বরাদ্দ অনেক কমিয়ে দিয়েছে সিডিএ। এত টাকা কেন কমাল, তা বোধগম্য হচ্ছে না। তহবিল সংকটের কারণে ঠিকাদারদের বিল পরিশোধ করা যাচ্ছে না। বাজেট নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় কাজের গতি যেমন কমবে, ক্ষেত্রবিশেষে তা থেমেও যেতে পারে। কাজের ধারা বজায় রাখতে হলে এখন সিডিএকেই বাজেটের নিশ্চয়তা দিতে হবে।
সেনাবাহিনী অর্থ বরাদ্দের সমস্যার কথা জানিয়ে চিঠি দিলেও এ ধরনের কোনো সমস্যা নেই বলে দাবি করেছেন সিডিএ চেয়ারম্যান এম জহিরুল আলম দোভাষ। তিনি বলেন, ‘টাকার কোনো সমস্যা নেই। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়া গেছে।’ সাম্প্রতিকতম জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, মৌসুমের প্রথম বৃষ্টি। তাই পানি জমেছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ চলছে। বাঁধগুলো সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। খননকাজও চলছে। সিটি করপোরেশন যদি রাস্তার পাশে নালাগুলো পরিষ্কার করে, তাহলে রাস্তায় পানি জমে না।
তবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলামের দাবি, সিডিএর বাঁধের কারণে জলাবদ্ধতা হয়েছে।
খালে খালে বাঁধ, জন্মেছে আগাছা
নগরের বিভিন্ন খালে চলছে প্রতিরোধদেয়ালের নির্মাণকাজ। পাঁচটি খালের মুখে দেওয়া হচ্ছে জলকপাট। এসব কারণে খালগুলোর বিভিন্ন জায়গায় বাঁধ দেওয়া হয়েছে। অনেক জায়গায় খালের ভেতরই রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। এতে পানি চলাচলের পথ সরু হয়ে গেছে।
নগরের পানি নিষ্কাশনের প্রধান পথ চাক্তাই খাল। সরেজমিনে দেখা গেছে, গুরুত্বপূর্ণ এই খালের শুরু বহদ্দারহাট মোড় থেকে। এই অংশ থেকে বাড়ইপাড়া পর্যন্ত খালের মাঝখানে মাটি দিয়ে ভরাট করে রাখা হয়েছে। দুই পাশে চলছে প্রতিরোধদেয়ালের নির্মাণকাজ। পানি নিষ্কাশনে সরু পথ রাখা হয়েছে। খালের চকবাজার কাঁচাবাজার অংশে রীতিমতো ঝোপঝাড় জন্মেছে। অনেক জায়গায় ময়লা-আবর্জনা আর পলিথিনে ভর্তি হয়ে আছে। কর্ণফুলী নদীর সঙ্গে যুক্ত খালের মুখে চলছে জলকপাট নির্মাণ।
চাক্তাই খালের বাড়ইপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ জসিম ও আবু সালেহ বলেন, খালে পানি চলাচলের পথ একেবারেই নেই। এখন যেভাবে মাটি ফেলে রাখা হয়েছে, তাতে সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকায় কোমরসমান পানি জমে যাচ্ছে। সামনের দিনগুলো আরও যে কষ্টের হবে, তা নিশ্চিত। ঘরদোরে পানি ঢুকে জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
চাক্তাই খালের সঙ্গে যুক্ত চাক্তাই ডাইভারশন খালের অবস্থা আরও করুণ। আগাছা আর ময়লায় খাল দেখা যায় না। তবে একটি খননযন্ত্র দিয়ে সম্প্রতি আগাছা পরিষ্কার করতে দেখা গেছে।
খালপাড়ের বাসিন্দা মুদিদোকানি মোহাম্মদ কাশেম বলেন, ‘এই খাল নিয়ে কী যে কষ্টে আছি, তা বলার মতো নয়। চার বছরে কতবার লস (ক্ষতি) দিয়েছি, তার কোনো হিসাব নেই। বৃষ্টি হলেই খাল উপচে পানি দোকানে ঢুকে যায়। মালামাল ভিজে নষ্ট হয়। এখন খাল যেভাবে আছে, তাতে এবারও ডু্ববে।’
পানি নিষ্কাশনের আরেক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম রাজাখালী খালের একটি অংশও আগাছা ও কচুরিপানায় ভর্তি হয়ে আছে। কর্ণফুলী নদীর সঙ্গে যুক্ত এই খালের মুখে চলছে জলকপাটের নির্মাণকাজ। কর্ণফুলী নদীর সঙ্গে যুক্ত মরিয়মবিবি খাল ও টেকপাড়া খালের ভেতরও বাঁধ দেওয়া হয়েছে।
নগরের ২ নম্বর গেট ও মুরাদপুর এলাকার পানি নিষ্কাশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চশমা খাল। কিন্তু খাল প্রশস্ত করতে ও প্রতিরোধদেয়াল নির্মাণের জন্য বাঁধ দেওয়া হয়েছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে থাকছে।
আগামী এক মাস পুরোদমে কাজ চলবে বলে বাঁধগুলো পুরোপুরি অপসারণ করা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শাহ আলী। এখন খাল পরিষ্কারের কাজ চলছে বলে জানান তিনি।
সক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও সিডিএ প্রকল্প নেওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার মজুমদার। তিনি বলেন, পুরোপুরি কাজ শুরু করতে প্রথম দুই বছর লেগে যায়। এখন প্রকল্পের কাজের জন্য খালের ভেতর বাঁধ দেওয়া হয়েছে; অনেক জায়গায় রাস্তাও করা হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের এসব প্রতিবন্ধকতা সরানোর জন্য বলা হলেও তা শুনছেন না সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এখনই যদি তা সরিয়ে না নেওয়া হয়, তাহলে সামনের বর্ষায় চট্টগ্রামের মানুষ জলাবদ্ধতায় চরম কষ্ট পাবে।

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন


Archive

© All rights reserved © 2021 Dainiksomor.net
Design & Developed BY N Host BD