শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ০৯:১৩ অপরাহ্ন

নোটিশ :
✆ন্যাশনাল কল সেন্টার:৩৩৩| স্বাস্থ্য বাতায়ন:১৬২৬৩|আইইডিসিআর:১০৬৬৫|বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন:০৯৬১১৬৭৭৭৭৭
সংবাদ শিরোনাম
বোয়ালখালী পশ্চিম জৈষ্ঠপুরায় ছৈয়দ ওসমান গণি (রঃ) ও মাহবুবুল হক ( রঃ)এর বার্ষিক ওরশ শরীফ ও পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) অনুষ্ঠিত মহান একুশে ফেব্রুয়ারি :শোকার্ত বুক, হাতে শ্রদ্ধার ফুল সন্দেহ নেই, একুশে ফেব্রুয়ারি একটি জীবন্ত সত্তা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের কমিটির রূপরেখা অনেকটা প্রস্তুত, মহানগর ছাত্রলীগের তোড়জোড় বোয়ালখালীর আলহাজ্ব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম দ্বিতীয় বারের মতো সিআইপি নির্বাচিত হওয়ায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সারোয়াতলীতে মাস্টারদা সূর্য সেন ও বিপ্লবীতারকেশ্বর দস্তিদারের ৯১তম ফাঁসি দিবস পালন প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলায় জসিম উদ্দীন সিআইপি পলাতক ও স্ত্রী রুমা আকতারের বিরুদ্ধে সমন জারী প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সম্মেলন ছাড়াই কমিটি পাচ্ছে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ সাবেক সাংসদ মোছলেম উদ্দিনের মৃত্যুবার্ষিকীতে চরণদ্বীপ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল টিসিজেএ মিডিয়া কাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন আর টিভি একাদশ

কালুরঘাট সেতু আমার হাত দিয়েই হবে ইনশাল্লাহ : স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুচ ছালাম

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...


এস এম ইরফান নাবিল:
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিট না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া তিন আওয়ামী লীগ নেতা প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
এর আগে এক শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক সইয়ে গড়মিল থাকায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
রোববার (১০ ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শুনানিতে তিনজনই প্রার্থিতা ফিরে পান।
প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া তিন আওয়ামী লীগ নেতা হলেন, চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনের মো. গিয়াস উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী, চান্দগাঁও ও পাঁচলাইশের একাংশ) আসনের আবদুচ ছালাম এবং চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের এম এ মোতালেব।
এর আগে গত ৩ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেয়া ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের মধ্যে ত্রুটিপূর্ণতার অভিযোগে মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। মনোনয়নপত্র বৈধতা ফিরে পাওয়ার পর গিয়াস উদ্দিন দৈনিক সমর পত্রিকাকে বলেন, প্রার্থিতা যখন বাতিল হলো, তখন শোকের ছায়া ছিল। আমি আজকে ন্যায়বিচার পেয়েছি। আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি মীরসরাইয়ের মানুষের ভালোবাসা ও তাদের অনুরোধে। আমি বিশ্বাস করি মীরসরাইয়ের আপামর জনসাধারণ আমাকে ৭ জানুয়ারি বিপুল ভোটে জয়ী করবেন।
অন্যদিকে গত ৩ ডিসেম্বর সকালে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে আবদুচ ছালামের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। মনোনয়ন ফিরে পাওয়ার পর আবদুচ ছালাম দৈনিক সমর পত্রিকাকে বলেন, প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় সবাই আনন্দিত। নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে। আমরা পারিবারিকভাবে সবসময় মানুষের সঙ্গে ছিলাম, এখনও আছি। আমি সিডিএ চেয়ারম্যান ছিলাম। আমার নেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে এ দায়িত্ব দিয়েছিলেন। আল আমার মাধ্যমে চট্টগ্রাম শহরের কী কী উন্নয়ন করেছেন, সেটা নগরবাসী জানেন। হয়তো আল­াহ অবহেলিত বোয়ালখালীর উন্নয়নও আমার মাধমে করাবেন। হয়তো কালুরঘাট সেতু আমার হাত দিয়েই হবে। জনগণ আমার সঙ্গে আছেন, ইনশাল­াহ আমি জয়ী হবো।
এছাড়া গত ৪ ডিসেম্বর রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে এম এ মোতালেবের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। মনোনয়ন ফিরে পাওয়ার পর এম এ মোতালেব বলেন, অনেক ষড়যন্ত্রের পরও ন্যায়বিচার পেয়েছি। প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় সবাই আনন্দিত। আজই (রোববার) ঢাকা থেকে এলাকায় ফিরে নির্বাচনি প্রস্তুতি শুর“ করব। আমি বিশ্বাস করি সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ার আপামর জনসাধারণ আমাকে সাত জানুয়ারি বিপুল ভোটে জয়ী করবেন।

কালুরঘাট সেতু আমার হাত দিয়েই হবে ইনশাল : স্বতন্ত্র প্রার্থি আবদুচ ছালাম
\ এস এম ইরফান নাবিল \
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিট না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া তিন আওয়ামী লীগ নেতা প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
এর আগে এক শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক সইয়ে গড়মিল থাকায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
রোববার (১০ ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শুনানিতে তিনজনই প্রার্থিতা ফিরে পান।
প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া তিন আওয়ামী লীগ নেতা হলেন, চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনের মো. গিয়াস উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী, চান্দগাঁও ও পাঁচলাইশের একাংশ) আসনের আবদুচ ছালাম এবং চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের এম এ মোতালেব।
এর আগে গত ৩ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেয়া ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের মধ্যে ত্রুটিপূর্ণতার অভিযোগে মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। মনোনয়নপত্র বৈধতা ফিরে পাওয়ার পর গিয়াস উদ্দিন দৈনিক সমর পত্রিকাকে বলেন, প্রার্থিতা যখন বাতিল হলো, তখন শোকের ছায়া ছিল। আমি আজকে ন্যায়বিচার পেয়েছি। আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি মীরসরাইয়ের মানুষের ভালোবাসা ও তাদের অনুরোধে। আমি বিশ্বাস করি মীরসরাইয়ের আপামর জনসাধারণ আমাকে ৭ জানুয়ারি বিপুল ভোটে জয়ী করবেন।
অন্যদিকে গত ৩ ডিসেম্বর সকালে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে আবদুচ ছালামের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। মনোনয়ন ফিরে পাওয়ার পর আবদুচ ছালাম দৈনিক সমর পত্রিকাকে বলেন, প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় সবাই আনন্দিত। নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে। আমরা পারিবারিকভাবে সবসময় মানুষের সঙ্গে ছিলাম, এখনও আছি। আমি সিডিএ চেয়ারম্যান ছিলাম। আমার নেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে এ দায়িত্ব দিয়েছিলেন। আল­াহ আমার মাধ্যমে চট্টগ্রাম শহরের কী কী উন্নয়ন করেছেন, সেটা নগরবাসী জানেন। হয়তো আল­াহ অবহেলিত বোয়ালখালীর উন্নয়নও আমার মাধমে করাবেন। হয়তো কালুরঘাট সেতু আমার হাত দিয়েই হবে। জনগণ আমার সঙ্গে আছেন, ইনশাল­াহ আমি জয়ী হবো।
এছাড়া গত ৪ ডিসেম্বর রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে এম এ মোতালেবের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। মনোনয়ন ফিরে পাওয়ার পর এম এ মোতালেব বলেন, অনেক ষড়যন্ত্রের পরও ন্যায়বিচার পেয়েছি। প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় সবাই আনন্দিত। আজই (রোববার) ঢাকা থেকে এলাকায় ফিরে নির্বাচনি প্রস্তুতি শুর“ করব। আমি বিশ্বাস করি সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ার আপামর জনসাধারণ আমাকে সাত জানুয়ারি বিপুল ভোটে জয়ী করবেন।

ফেইসবুকে নিউজটি শেয়ার করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন


Archive

© All rights reserved © 2021 Dainiksomor.net
Design & Developed BY N Host BD